The Patriot


I 
It was roses, roses, all the way,
With myrtle mixed in my path like mad:
The house-roofs seemed to heave and sway,
The church-spires flamed, such flags they had,
A year ago on this very day.

পুরো পথজুড়ে শুধু গোলাপ আর গোলাপ ছড়ানো ছিল,
আমার চলার পথে উন্মাদনায় প্রচুর পরিমাণে মার্টিল ফুল মেশানো ছিল;
(মানুষের ভিড়ে) বাড়ির ছাদগুলোকে মনে হচ্ছিল যেন দুলছে এবং কাঁপছে,
গির্জার চূড়াগুলো জ্বলজ্বল করছিল, কারণ সেগুলোতে এমন উজ্জ্বল পতাকা ওড়ানো হয়েছিল,
ঠিক এক বছর আগের আজকের এই দিনে।

II

The air broke into a mist with bells,
The old walls rocked with the crowd and cries.
Had I said, ‘Good folk, mere noise repels –
But give me your sun from yonder skies!’
They had answered, ‘And afterward, what else?’
 
ঘণ্টার ধ্বনিতে বাতাস যেন কুয়াশার মতো আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল,
মানুষের উপচে পড়া ভিড় আর চিৎকারে পুরনো দেয়ালগুলো যেন কেঁপে উঠছিল।
আমি যদি তখন বলতাম, "হে প্রিয় দেশবাসী, শুধু এই কোলাহল বা চিৎকার ভালো লাগে না—
বরং ওই দূরের আকাশ থেকে সূর্যটা আমাকে এনে দাও!"
তারা হয়তো উত্তর দিত, "এবং এরপরে আর কী চান বলুন?

III

Alack, it was I who leaped at the sun
To give it my loving friends to keep!
Naught man could do, have I left undone:
And you see my harvest, what I reap
This very day, now a year is run.
 
হায় আফসোস, আমিই ছিলাম সে যে সূর্যের দিকে লাফিয়ে পড়েছিলাম
আমার ভালোবাসার বন্ধুদের তা উপহার হিসেবে রাখার জন্য দিতে!
একজন মানুষের পক্ষে যা করা অসম্ভব, তার কিছুই আমি অসমাপ্ত বা বাকি রাখিনি:
আর তোমরা এখন দেখছো আমার কর্মের ফসল, আমি আজ কী ফল ভোগ করছি—
ঠিক আজকের এই দিনে, যখন একটা বছর কেটে গেছে। 

IV

There’s nobody on the house-tops now –
Just a palsied few at the windows set;
For the best of the sight is, all allow,
At the Shambles’ Gate – or, better yet,
By the very scaffold’s foot, I trow.
 
এখন আর বাড়ির ছাদগুলোতে কেউ নেই —
শুধু পক্ষাঘাতগ্রস্ত (অসুস্থ বা অতি বৃদ্ধ) অল্প কয়েকজন জানালার ধারে বসে আছে;
কারণ সবচেয়ে ভালো দৃশ্যটি দেখার সুযোগ তো সবাই পাচ্ছে —
ফাঁসির মঞ্চের তোরণে (কসাইখানার গেটে) — অথবা, তার চেয়েও ভালো হয়,
ঠিক ফাঁসি কাষ্ঠের পাদদেশে গেলে, আমি বিশ্বাস করি (সবাই সেখানেই গেছে)।

V

I go in the rain, and, more than needs,
A rope cuts both my wrists behind;
And I think, by the feel, my forehead bleeds,
For they fling, whoever has a mind,
Stones at me for my year’s misdeeds.
 
আমি বৃষ্টির মধ্যে হেঁটে চলেছি, এবং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি,
একটি রশি পিছন দিকে আমার দুটি কবজিকেই কেটে বসছে;
এবং আমার অনুভূতি থেকে মনে হচ্ছে, আমার কপাল থেকে রক্ত ঝরছে,
কারণ যার মন চাইছে সে-ই ছুড়ে মারছে,
আমার দিকে পাথর, আমার এই এক বছরের তথাকথিত "অপকর্মের" জন্য।

 VI 

Thus I entered, and thus I go!
In triumphs, people have dropped down dead.
‘Paid by the world, what dost thou owe
Me?’ – God might question; now instead,
‘Tis God shall repay: I am safer so.
 
এভাবেই (বিজয়ী বেশে) আমি প্রবেশ করেছিলাম, আর এভাবেই (অপমানিত হয়ে) আমি বিদায় নিচ্ছি!
চরম বিজয়ের মুহূর্তেও অনেক মানুষ (উত্তেজনায় বা সাফল্যে) হঠাৎ মারা যায়।
"দুনিয়া তো তোমাকে তোমার কাজের প্রতিদান দিয়েই দিয়েছে, এখন তুমি আমার কাছে কী পাওনা আশা করো—
আমার কাছে?" — ঈশ্বর হয়তো এমন প্রশ্নই করতেন; কিন্তু এখন তার পরিবর্তে,

শব্দার্থ

Myrtle – এক ধরণের সুগন্ধি ফুলগাছ (মেহেন্দীজাতীয়); Heave – উথলে ওঠা;      Sway – দোলা; Church-spires – গির্জার চূড়া;  Good folk – ভালো মানুষজন; Repels – দূরে ঠেলে দেয় বা অসন্তোষ তৈরি করে; Leaped – লাফিয়ে পড়েছিলাম; Nought – কিছুই না; Now a year is run – এখন একটা বছর পার হয়ে গেছে;  Palsied – পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা অবশ (Palsy রোগে আক্রান্ত); Shambles' Gate – কসাইখানার দরজা বা তোরণ (এখানে ফাঁসি বা শাস্তির মঞ্চের প্রবেশদ্বার বোঝানো হয়েছে); Trow – বিশ্বাস করা বা মনে করা; Fling – ছুড়ে মারা; Has a mind – যার মন চাইছে বা যার ইচ্ছা হচ্ছে।




প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা:

জনতার মনস্তত্ত্ব ও চরম পরিবর্তনশীলতা (The Fickleness of the Crowd)

সাধারণ মানুষের আবেগ বা জনতার ভালোবাসা বড্ড ক্ষণস্থায়ী। ঠিক এক বছর আগে যে জনতা এই দেশপ্রেমিককে স্বাগত জানাতে রাস্তায় গোলাপ আর মূর্তির মতো ফুল বিছিয়ে দিয়েছিল, চার্চের চূড়াগুলোকে পতাকায় সাজিয়েছিল, এমনকি সে চাইলে আকাশের সূর্যটাও এনে দিতে রাজি ছিল—আজ সেই জনতাই তাকে পাথর মারছে।

অন্তর্নিহিত সত্য: জনতা কোনো স্থায়ী আদর্শ বা দীর্ঘমেয়াদী ত্যাগের মূল্য বোঝে না। তারা মুহূর্তের আবেগে কাউকে মাথায় তোলে, আবার পরমুহূর্তেই তাকে নিচে নামিয়ে পা দিয়ে পিষে ফেলে।

রাজনীতির নিষ্ঠুরতা ও ট্র্যাজেডি (The Irony of Political Fame)

দেশপ্রেমিক নেতাটি বলছেন, তিনি যা করেছিলেন তা কেবল তাঁর দেশের মানুষের ভালোর জন্যই করেছিলেন। তিনি ক্ষমতার সীমার বাইরে গিয়েও অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করেছিলেন ("Alack, it was I who leaped at the sun"), যাকে তিনি রূপক অর্থে 'সূর্যকে ছুঁতে যাওয়া' বলেছেন।

অন্তর্নিহিত সত্য: রাজনীতিতে ভালো কাজের পুরস্কার সবসময় ভালো হয় না। সামান্য ভুল বা কোনো ভুল বোঝাবুঝির কারণে একজন মহান নায়ক রাতারাতি খলনায়কে (Villain) পরিণত হতে পারেন। আজ তাঁর হাত দুটো শক্ত দড়ি দিয়ে পেছনে বাঁধা, কপাল বেয়ে রক্ত পড়ছে, অথচ এক বছর আগে এই হাতেই মানুষ চুমু খেতে চেয়েছিল।

যীশু খ্রীষ্টের ট্র্যাজেডির সাথে সাদৃশ্য (Religious Parallel to Christ)

কবিতাটির পটভূমি ও দৃশ্যপট গভীরভাবে লক্ষ্য করলে যীশু খ্রীষ্টের (Jesus Christ) জীবনের শেষ দিনগুলোর মিল পাওয়া যায়। যীশু যখন জেরুজালেমে প্রবেশ করেছিলেন, মানুষ পাম গাছের পাতা ও কাপড় বিছিয়ে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিল। কিন্তু মাত্র কয়েকদিন পরেই সেই মানুষগুলোই রোমানদের উস্কানিতে তাঁর ক্রুশবিদ্ধকরণের দাবি তোলে এবং তাঁকে কাঁটার মুকুট পরিয়ে দেয়।

অন্তর্নিহিত সত্য: ব্রাউনিং এখানে দেখিয়েছেন যে, যুগ যুগ ধরে মানবজাতির ইতিহাস এটাই—যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করে, মানুষ শেষ পর্যন্ত তাদেরই শাস্তি দেয়।

ঈশ্বরের প্রতি চরম বিশ্বাস ও পরকালের মুক্তি (Faith in God and Divine Justice)

কবিতার শেষ স্তবকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষণীয়। দেশপ্রেমিক যখন বুঝতে পারেন যে এই পৃথিবীর মানুষ তাঁর ত্যাগের কোনো মূল্য দেয়নি, তখন তিনি ভেঙে পড়েননি। বরং তিনি এক ধরণের আধ্যাত্মিক শান্তি (Spiritual Consolation) খুঁজে পেয়েছেন।

অন্তর্নিহিত সত্য: তিনি ভাবছেন, যদি এই পৃথিবীর মানুষই তাকে সব পুরস্কার দিয়ে দিত, তবে ঈশ্বরের কাছে পাওয়ার মতো তাঁর আর কিছুই থাকত না ("Paid by the world, what dost thou owe me? God might question")। যেহেতু পৃথিবী তাকে শাস্তি দিয়েছে এবং তাঁর সাথে অন্যায় করেছে, তাই তিনি নিশ্চিত যে ঈশ্বর পরকালে তাকে পুরস্কৃত করবেন এবং তাঁর কোলে তিনি নিরাপদ থাকবেন ("’Tis God shall repay: I am safer so.")। এটি মানুষের তৈরি বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং ঈশ্বরের পরম ন্যায়ের প্রতি গভীর বিশ্বাসের গূঢ় প্রকাশ।

সংক্ষেপে মূল বার্তা (The Core Message)

"The Patriot" কবিতার মূল গূঢ় অর্থ হলো: মানুষের তৈরি প্রশংসা বা খ্যাতি ক্ষণস্থায়ী এবং বিপজ্জনক। জাগতিক সফলতা বা ব্যর্থতা দিয়ে কোনো মানুষের আসল মূল্য বিচার করা যায় না। মানুষের কাছ থেকে অবহেলা বা শাস্তি পেলেও, সৎ কাজের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং শান্তি কেবল ঈশ্বরের কাছেই পাওয়া সম্ভব।


কোন মন্তব্য নেই

তবু একদিন হেমন্ত এলে অবকাশ পাওয়া যাবে—

“সুজাতাকে ভালোবাসতাম আমি- এখনো কি ভালোবাসি? সেটা অবসরে ভাববার কথা, অবসর তবু নেই; তবু একদিন হেমন্ত এলে অবসর পাওয়া যাবে এখন শেলফে চার্বাক ফ্রয়...

Blogger দ্বারা পরিচালিত.