এক দীর্ঘ প্রতিক্ষার বাস্তবতায় বেঁচে থাকার আকুতিই তোমাতে দেখা হবার প্রতিজ্ঞা মৃত্যুদ্বীপের দূত খবর দিয়েছে ধরায় রজনীর নিকষ অন্ধকারে,একলা চলা বালকের দুরু-দুরু ভয়ার্ত হৃদয় দিবালোকেও সেই ছমছমে ভাবনা। তোমার সৌন্দর্যের মখমল হাসি অন্তরায় হয়েছে মাস্কের আড়ালে বন্দী ঘরে করোনার বন্দী শিবিরে দীর্ঘশ্বাসে টোলপড়া কপলের একগুচ্ছ হাসি যেখানে, তিলকের দল দোল খায় চিবুক,ওষ্ঠের কোনায় কোনায়। আমাদের দেখা হবে বিজন ধরায় অশ্রুজল বেদনায় সিক্ত হবার পরে শুণ্য জনহীন প্রন্তরে মানবের দল নেই কোন উৎপাত,বেদনা,আর্তনাদ নিথর দেহগুলির অভ্যন্তরে মাছির ভোঁ ভোঁ শব্দে তোমার তিলক ডেকে যায় নিথর আমারে।
এই যে কবিতারা তোমার সঙ্গে হাটে কাঁদে,হাসে,লুটোপুটি খায় নিটোল কপোল বেয়ে ঝড়ে পড়ে টপটপ বৃষ্টি ফোটার মত তুলোর মত আছড়ে পড়ে চোখের পালক ঘেষে কেশে। এইসব কবিতারা নিরব নিথর দেহে বিমর্ষ ম্লান বদনে লেপটে যায় নির্ঝর পেন্সিলের ধূষর লেখনীতে অশ্রুর উষ্ণ প্রবাহের মত তরঙ্গের মত আছড়ে পড়ে সন্ধ্যার নিঝুম বিমর্ষ খেয়াপাড়ে। এই সহস্র কবিতারা পৃথিবীর বহুরূপী বেশে শোষণ,শাসন,প্রেম,প্রকৃতির ছায়ায় আদি থেকে অন্তে কবির কল্পলোকে রুক্ষ প্রগাঢ় ইতিহাসের মত কমনার মত আছড়ে পড়ে কালের সাক্ষী হয়ে হৃদয় মন্দিরে।